DailyMoulvibazar.com
মৌলভীবাজারবুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. এভিয়েশন
  6. করোনা সর্বশেষ
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলা
  10. গণমাধ্যম
  11. চাকুরি
  12. ছোটদের পোস্ট
  13. জাতীয়
  14. জোকস
  15. ট্যুরিজম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কমলগঞ্জের মুন্সীবাজার ইউনিয়নে ভূয়া তথ্য দিয়ে উত্তরাধিকারী সনদপত্র জালিয়াতির অভিযোগ।

নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ১২:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাপ রিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একজন এডভোকেট ও একজন ইউপি মেম্বারের সহায়তায় উত্তরাধিকারীত্ব জালিয়াতি করে মুন্সীবাজার ইউপি কার্যালয় থেকে দুটি উত্তরাধিকার সনদপত্র নিয়েছেন অত্র ইউনিয়নের পরানধর গ্রামের বিভাস রঞ্জন দাস। বিগত ১৫/০৭/২০১২ইং তারিখের ৫৩৬/১২নং ও ২২/০৯/২০১৬ইং তারিখের ৫৩৯নং স্মারকযুক্ত ওই দুটি উত্তরাধিকার সনদপত্র ব্যবহার করে বিভাস রঞ্জন দাস ২৩২/১২ইং নং অর্পিত মামলার রায় ডিক্রি হাসিল করেন। বর্তমানে মামলাটির আপীলে চলমান রয়েছে। গত ১৪/১০/২০২১ইং সোহেল রানা সুমন মুন্সীবাজার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর দায়েরী ‘উত্তরাধিকারী সনদপত্র বাতিল’ শীর্ষক আবেদনপত্র সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মৌলভীবাজার জজ কোর্টের এডভোকেটর বর্ণনামতে ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ শফিকুর রহমানের সনাক্তক্রমে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব তরফদার প্রদত্ত উক্ত সনদপত্রে পরানধর গ্রামের উলারাম দাসের উত্তরাধিকারী রাধা চরণ দাস ও পরমানন্দ দাস, রাধা চরণ দাসের উত্তরাধিকারী রাজ চন্দ্র দাস ও পরমানন্দ দাসের উত্তরাধিকারী গিরিধন দাস, রাজ চন্দ্র দাসের উত্তরাধিকারী রাস বিহারী দাস ও বিনোদ বিহারী দাস এবং গিরিধন দাসের উত্তরাধিকারী গগন চন্দ্র দাস ও ঠাকুর চান দাস উল্লেখ করে বলা হয়েছে, রাস বিহারী দাস নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যাওয়ায় তার উত্তরাধিকারী তার একমাত্র ভাই বিনোদ বিহারী দাস এবং বিনোদ বিহারী দাসের উত্তরাধিকারী বিন্দু ভূষন দাস। ১৯৬২ইং সনে ঠাকুর চান দাস অবিবাহিত অবস্থায় মারা যান এবং ১৯৬৫ ইং সনে গগন চন্দ্র দাস ভারতবাসী হইলে তাদের একমাত্র উত্তরাধিকারী বিন্দু ভূষন দাস এবং বিন্দু ভূষন দাসের একমাত্র উত্তরাধিকারী বিভাস রঞ্জন দাস।

কিন্তু, ঠাকুর চান দাস অবিবাহিত অবস্থায় মারা যান বলা হলেও, প্রকৃতপক্ষে তিনি বিবাহিত ছিলেন। তার স্ত্রী ছিলেন শান্ত শব্দকর। গগন চন্দ্র দাস ভারতবাসী হয়েছেন বলা হলেও, তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং তার স্ত্রী, পুত্র কন্যাসন্তান আছেন।

রাস বিহারী দাস নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন বলা হলেও, প্রকৃতপক্ষে তিনি সিঃসন্তান ছিলেন না। তার ঔরসজাত ও স্ত্রী সরস্বতি দাসের গর্ভজাত ৫ কন্যাসন্তান ছিল। এদের মধ্যে ২ জন অবিবাহিত অবস্থায় মারা যান, এবং ৩জনের বিয়ে হয় তাদের সন্তানাদি আছে,

১.শান্তি বালা রায় নামীয় এক জনের বিয়ে হয় সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক পৌরসভার বাগবাড়ী মহল্লার দয়ানন্দ দাসের সাথে। তিনি ৪ পুত্র ও ১ কন্যা রেখে মারা যান।

২. চপলা রানী রায় নামীয় আরেকজনের বিয়ে হয় মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নস্থিত সুরেশ রায়ের সাথে। তিনি ৩ পুত্র ও ৩ কন্যা রেখে মারা যান।

৩. চারুবালা রায় নামীয় অপরজনের বিয়ে হয় হবিগঞ্জ সদরের লুকড়া ইউনিয়নের লুকড়া গ্রামের প্রমোদ রঞ্জন রায়ের সাথে। তিনি ২ পুত্র ও ৩ কন্যাসন্তান রেখে মারা যান।

কাজেই, শুধুমাত্র বিনোদ বিহারী দাসের উত্তরাধিকারী বিন্দু ভূষন দাস এবং বিন্দু ভূষন দাসের উত্তরাধিকারী তার পুত্র বিভাস রঞ্জন দাস। অপরদিকে, যেহেতু বিন্দু ভূষন দাস কোনভাবেই রাস বিহারী দাস, ঠাকুর চান দাস ও গগন চন্দ্র দাসের উত্তরাধিকারী নন, সেহেতু বিন্দু ভূষন দাসের পুত্র বিভাস রঞ্জন দাসও তাদের উত্তরাধিকারী নন।

অথচ,একজন এডভোকেট উক্ত বিভাস রঞ্জন দাসকে মনগড়াভাবে রাস বিহারী দাস, ঠাকুর চান দাস ও গগন চন্দ্র দাসের উত্তরাধিকারী হিসাবে বর্ণনা করেন এবং মুন্সীবাজার ইউপি’র ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ শফিকুর রহমান তাকে রাস বিহারী দাস, ঠাকুর চান দাস ও গগন চন্দ্র দাসের উত্তরাধিকারী হিসাবে সনাক্ত করে উত্তরাধিকারী সনদপত্র পাইয়ে দেন।

তথাপি জনৈক বিভাস রঞ্জন দাস বর্ণিত ব্যক্তিদ্বয়ের সাথে আত্মীয়তা থাকলেও তাদের কোন উত্তরাধিকারী নন।

উপরোক্ত কারণসমূহ বিবেচনায় না এনে বর্ণিত স্মারকের উত্তরাধিকারী সনদপত্র শুধুমাত্র স্থানীয় ইউপি সদস্য ও একজন আইনজীবির বর্ণনামতে প্রদান করা হয়েছে,যাহা সম্পূর্ণভাবে বে-আইনী।

DailyMoulvibazar.Com এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।