DailyMoulvibazar.com
মৌলভীবাজারশুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. এভিয়েশন
  6. করোনা সর্বশেষ
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলা
  10. গণমাধ্যম
  11. চাকুরি
  12. ছোটদের পোস্ট
  13. জাতীয়
  14. জোকস
  15. ট্যুরিজম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সড়কে কেউই মানছে না উচ্চ আদালতের নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ২১, ২০২১ ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাপ রিপোর্টার:: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে দেশের উচ্চ আদালত প্রতিটি গাড়িতে গতি নিয়ন্ত্রক যন্ত্র স্থাপন, শব্দদূষণ রোধে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধ, ফুটপাতে মোটরবাইক চালানো বন্ধ ও দখলমুক্ত করাসহ বেশকিছু নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এসব নির্দেশনার অধিকাংশই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় না। কেউই সঠিকভাবে মানছেন না আদালতের নির্দেশনা।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সড়ক দুর্ঘটনারোধ, হাইড্রোলিক হর্ন, নদীদূষণ বন্ধসহ জনগুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন সময়ে রিট আবেদন করা হয়। এসব মামলায় বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনাও আসে। দেশের মানুষ যদি সচেতন না হয়, তাহলে রাষ্ট্রই বা কী করবে? তাই শুধু সরকারের ওপর নির্দেশ দিলেই হবে না, জনগণকে আরও মনোযোগী ও সচেতন হতে হবে।

মানবাধিকার কর্মী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবির) এর চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা জনস্বার্থে শব্দদূষণ রোধে এবং গুলিস্তান থেকে পুরান ঢাকার ফুটপাত উদ্ধারে মামলা করেছি। এর মধ্যে মামলার রায় ও নির্দেশনা এসেছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, জনস্বার্থে আদালতের নির্দেশনার পরও তা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ কেউ নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, হয়তো সক্ষমতার অভাব না হয় মানসিকতার সমস্যা। সংশ্লিষ্টরা আদালতের আদেশকে ইগনোর করছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা, উদাসীনতা ও অবহেলার কারণে বছরের পর বছর ধরে তা উপেক্ষিতই রয়ে গেছে বলেই ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রাফিক সিগন্যাল না মানা, অশিক্ষিত, অর্ধ-শিক্ষত ও মাদকাসক্ত চালক, সড়কে গাড়ি চালানোর তীব্র প্রতিযোগিতা, বেপরোয়া গতিও দুর্ঘটনা ঘটার কারণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু চালকরা তুলনামূলক কম গতিতে নিয়ন্ত্রণে রেখে যানবাহন চালানোর কারণে দুর্ঘটনা কম ঘটে বলেও মনে করেন তারা। যখন আপনি ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা ডিউটি করবেন, তখন তো মস্তিষ্ক ও হাত-টাত কিছুই ঠিকমতো কাজ করবে না। চোখে ভাসবে শর্ষে ফুল, সহজেই দুর্ঘটনা ঘটবে। এই সমস্ত দুর্বলতার জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণ বা কঠিন করতে না পারলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হবে না।

সড়কে নানা অব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। ২০০৯ সালের জুনে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের (পরে প্রধান বিচারপতি) নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রায়ে ২০১০ সালের মধ্যে দেশের সব সড়কযানে গতি নিয়ন্ত্রক যন্ত্র স্থাপন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা, সব ট্রাফিক সদর দপ্তরে গতি নিয়ন্ত্রক মনিটরিং ব্যবস্থা স্থাপনসহ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিএ-কে (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) এসব নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয় রায়ে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও ওই রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি।

এ ছাড়া ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিচারপতি জিনাত আরার নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সড়ক দুর্ঘটনারোধে পাঁচ দফা নির্দেশনা দেন। এতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০০১-এর ৮ বিধি অনুযায়ী মহাসড়কের পাশে ১০ মিটারের মধ্যে স্থাপনা তৈরিতে অনুমতি দেওয়ার বিধান বাতিল, নির্দেশনার পাঁচ বছর পর চালকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস নির্ধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে ডিভাইডার তৈরি এবং পথচারীদের জন্য প্রয়োজনীয় আন্ডারপাস নির্মাণ, স্কুলের সিলেবাসে ট্রাফিক নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা এবং মোটরযান অধ্যাদেশ আইন সংশোধন করে অপরাধের সাজা ও জরিমানার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়।

কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও হাইকোর্টের এসব নির্দেশনা ও আদেশ যেমন বাস্তবায়ন হয়নি, তেমনি সড়কে মৃত্যুর মিছিলও থামেনি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাজধানীর প্রায় সব ফুটপাত হকারদের দখলে; যা ট্রাফিক জ্যামের অন্যতম কারণ। এ ছাড়া ফুটপাত দখলে থাকায় জনভোগান্তিও চরমে পৌঁছেছে।

মতিঝিল, গুলিস্তান, পল্টন, সদরঘাট এলাকার ফুটপাতে এ চিত্র আরও ভয়াবহ। অথচ ফুটপাত দখলমুক্ত করতে একাধিকবার হাইকোর্ট থেকে আদেশ ও নির্দেশনা এসেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় এ চিত্র পাল্টায়নি খুব একটা।

২০০১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক রায়ে রাজধানীর ফুটপাত ও চলাচলের পথকে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী এবং পথচারীদের জন্য পরিচ্ছন্ন ও উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, দখলদারদের দৌরাত্ম্যে অধিকাংশ ফুটপাতই হাঁটার অনুপযুক্ত। ফুটপাতগুলোতে অবাধে চলছে ব্যবসা। অথচ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অ্যাক্ট অনুযায়ীও রাস্তায় বা জনগণের চলাচলের জায়গায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

DailyMoulvibazar.Com এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।